রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
আইন ও আদালত
06 Nov, 2026

আদাবরে দিনে গ্রেপ্তার, রাতে গুলি: সিসিটিভি বলছে ভিন্ন কথা

অনলাইন ডেস্ক : ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন আইন ও আদালত
অনলাইন ডেস্ক : ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
আদাবরে দিনে গ্রেপ্তার, রাতে গুলি: সিসিটিভি বলছে ভিন্ন কথা

রাজধানীর আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের ধরতে গিয়ে হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানোর দাবি করেছে পুলিশ। এতে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরে গুলিবিদ্ধ দুজনসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে জানিয়েছে তেজগাঁও বিভাগ।

তবে অভিযানের ১০ ঘন্টা আগের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বলছে ভিন্ন কথা। ফুটেজ বলছে, মধ্যরাতের অভিযান নয়, দিনে দুপুরে নবোদয় কাঁচাবাজার থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আদাবর থানা পুলিশ। এ চারজনের মধ্যে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় সাগর ওরফে ছোট বিগার (২৪) নামের একজনকে। পরে মোহাম্মদপুর থানার নবীনগর হাউজিং এলাকায় তার বাসায় তল্লাশী চালাতে যায় পুলিশ।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট। নবীনগর ৩ নম্বর রোডে সাগরের বাসার সামনে সিএনজি ও অটোরিকশা থেকে নামেন সাদা পোশাকে কয়েকজন যুবক। তাদের সঙ্গে হ্যান্ডকাফ পরিহিত সাগর। তাকে নিয়ে সোজা চলে যান ভবনের চার তলায় একটি ফ্ল্যাটে। তল্লাশী করা হয় ফ্ল্যাটের ওয়ারড্রব থেকে শুরু করে প্রতিটি রুমের কোনায় কোনায়। তবে কিছুই মিলেনি। কিছু না পেলেও অভিযানে আসা কর্মকর্তারা সাগরকে দিয়ে একে একে ডেকে আনেন রাশেদ ও শাকিবকে। রাশেদ বাসায় প্রবেশ করার পরে তাকে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়। কিন্তু শাকিব বাসার সামনে এসে পরিস্থিতি খারাপ বুঝতে পেরে সটকে পড়ার চেষ্টা করেন। তবে তাকে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা উদ্যান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত ৮টা ৮ মিনিটে সাগর, শাকিবকে নিয়ে বের হয়ে সিএনজিতে তুলতে দেখা যায়। পরে সাগরের স্বজনরা থানায় গিয়ে সাগর, শাকিব, রাশেদ ও রাজিবকে দেখতে পান।

আদাবর থানার শেখেরটেক ৬ নম্বর এলাকার যে ভবনে হামলার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার ও গুলি করা হয়েছে ওই ঘটনায় কেউই জড়িত নয় বলে দাবি পরিবারের। পুলিশের নথি বলছে, গুলিবিদ্ধ দুই আসামিসহ চানজনই চিহ্নিত ছিনতাকারী। তাদের বিরুদ্ধে আদাবর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

তবে দিনের আলোতে গ্রেপ্তারের ১৩ ঘন্টার রাতের অন্ধাকারে গুলির বিষয়ে কোনো উত্তর দেননি কথিত অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর।

সাগরকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেন আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরুণ কুমার হাওলাদার। গ্রেপ্তার চারজন বাড়িতে হামলার ঘটনা জড়িত ছিলো কি না জানতে চাইলে বলেন, “তারা চিহ্নিত অপরাধী। জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে গ্রেপ্তার করেছি। পরে রাতে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তারা হামলার চেষ্টা করে তখন গুলি করেছি।”

গুলিবিদ্ধ আসামির পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজারের মুরগীর দোকানের সামনে থেকে সাগর ওরফে ছোট বিগার (২৪)কে আটক করে থানা পুলিশ। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সাগরকে নিয়ে মোহাম্মদপুর থানার নবীনগর হাউজিংয়ের ৩ নম্বর সড়কের সাগরের বাসায় অভিযানে যান আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরুণ কুমার হাওয়াদারসহ ১০ জনের একটি দল। তারা সিএনজি ও অটোরিকশায় করে সাগরের বাসায় যান।

দেড় ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বাসায় তল্লাশী চালানো হয়। তবে বাসায় কোনো কিছুই পায়নি পুলিশ। বাসায় বসে সাগরকে দিয়ে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে শাকিব(২৩) ও রাশেদকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়। এই তিনজনকে দিয়ে সাভার থেকে ডেকে আনা হয় রাজিব হাওলাদারকে(৩০)। রাত সাড়ে ১১টার দিকে চারজনকে আদাবর থানায় দেখে আসলেও তিনটার দিকে স্বজনরা গুলি খবর পান।

বুধবার নবোদয় বাজারে গিয়ে দুপুরে দিনের আলোতে সাগরকে গ্রেপ্তারের সত্যতা পাওয়া যায়। স্থানীয় একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, পাঁচজনের একটি পুলিশের দল মুরগীর দোকানের সামনে বসা অবস্থায় সাগরকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তখন বাজারে সবাই বিষয়টি দেখেছে। অভিযানে আসা পাঁচজনের মধ্যে দু’জন পুলিশের পোশাকে ছিলো, বাকি তিনজন সাদা পোশাকে। সাগরকে গ্রেপ্তারের স্পটের ৫০ গজের মধ্যেই ১৩ ঘন্টার মাথায় রাতের অন্ধকারে রামচন্দ্রপুর খালের পাড়ে গুলি করা হয়।

নবোদয় বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার সাগর, শাকিব, রাজিবসহ অন্তত ১০ জনের একটি দল নবোদয় হাউজিংসহ আশেপাশের এলাকায় নিয়মিত ছিনতাই করে। তারা এলাকায় চিহ্নিত ছিনতাইকারী। রাজীব ঢাকা উদ্যান এলাকায় বাবু হত্যা মামলার এক নাম্বার আসামি। গ্রেফতারের পর বেশ কিছুদিন আগে জেল থেকে বেরিয়ে এসে আবারো এই কাজে লিপ্ত হয়। তবে দিনের আলোতে আটক করে রাতে গুলির ঘটনা পুলিশের পুরাতন চেহারার প্রকাশ পায়। গুলির স্থানে আসামিদের রক্ত ছড়িয়ে ছিটেয়ে আছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নবীনগর হাউজিংয়ে কথা হয় সাগরের বড় ভাই মাসুমের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমার ভাই যদি অপরাধ করে থাকলে আপনারা তাকে আইনের আওতায় আনেন। কিন্তু দিনের বেলা গ্রেপ্তার করে রাতে নিয়ে গুলি করলেন এটা কোনোভাবে মানতে পারছি না।”

শেখেরটেকে ভবনে হামলায় জড়িত থাকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার ভাই গত দুই দিন বাসা থেকে বের হয় নাই। শেখেরটেক ৬ নম্বরে যে বাড়িতে হামলার কথা বলা হচ্ছে আমার ভাইসহ গ্রেপ্তার চার জনের কেউই এই ঘটনায় জড়িত না। কোথাও কোনো সিসিটিভি ফুটেজে তাদের উপস্থিতি দেখাতে পারবে না পুলিশ। সাগর সোমবার দুপুরে বাসা থেকে বের হয়ে নবোদয় হাউজিং এলাকায় যায়। সেখান থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।”

তিনি আরও বলেন, “সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিএনজি ও অটোরিকশায় করে সাগরকে নিয়ে পুলিশের ১০ জন সদস্য আমার বাসায় আসে। পরে আমার মায়ের কাপড়ের ড্রয়ার, সাগরের ড্রয়ারসহ রুমের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়, কিন্তু কিছুই পায় নাই। পরে সাগরকে বলে তোমাকে ছেড়ে দিবো, তুমি শাকিব, রাশেদ ও রাজিবকে ধরিয়ে দেও। এভাবে সাগরের ফোন দিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের নিয়ে রাত ৮টার ২০ এর দিকে তারা বাসা থেকে চলে যায়। এসময় এসআই তরুণ আমাদের আশ্বস্ত করে বলে যে, চিন্তা কইরেন না, ওর (সাগরের) গায়ে ফুলের টোকাও পড়বে না।”

মাসুম আরও অভিযোগ করেন গুলির পরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয় নি। এমন কি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পুলিশ ইচ্ছে করে পরিবারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। দিন ভর খোঁজাখুজির পরে রাতে থানায় এসে সাগরকে কাতরাতে দেখেন। তার পায়ে ব্যান্ডেজ দেখতে পান মাসুম ও তার বাবা-মা। এই সময়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন মাসুম।

পুলিশের তল্লাশির বিষয়ে আদাবর থানার উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাগরের বাসার কেয়ারটেকার মো জামাল। তিনি বলেন, “গতকাল সন্ধ্যায় সাড়ে ছয়টার দিকে একটি সিএনজি ও অটোরিকশায় করে আট থেকে ১০ জন পুলিশ বাসায় আসে। কিছু পুলিশ ওপরে যায়। আর কিছু পুলিশ নিচে দাঁড়িয়ে ছিলো। সবাই সিভিল ড্রেসে ছিলো। কয়েকজনের মুখে মাস্ক ছিলো। তারা প্রায় দেড় ঘন্টার মতো বাসায় ছিলো।”

তিনি আরও বলেন, “তারা (পুলিশ) বের হয়ে যাওয়ার সময়ে সাগরকে হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থায় সুস্থ দেখলাম। সকালে শুনি তাকে নাকি গুলি করা হয়েছে। পুলিশের হেফজতে থেকে কিভাবে চাপাতি দিয়ে হামলা করলো কিছুই বুঝলাম না।”

গ্রেপ্তার আসামি রাতে অন্ধকারে গুলির বিষয়ে জানতে চাইলে আদাবর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন, “সাগর সম্পর্কে আপনি কি তদন্ত করেছেন? আপনি থানায় আসেন, সরাসরি কথা হবে।”

দিনের আলোতে গ্রেপ্তার ও রাতের অন্ধকারে গুলির বিষয়ে জানতে চাইলে আদাবর থানার এসআই তরুণ কুমার বলেন, “ওরা (আসামি) চিহ্নিত ছিনতাইকারী। তারা প্রতিদিনই পাঁচ-দশটা ছিনতাই করে। তাদের পরিবারের কথা শুনে যদি আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখান তাহলে তো কষ্ট লাগে। আমরা তাদের আড্ডা খানায় অস্ত্র উদ্ধারে যাওয়ার পরে তারা আমাদের ওপর হামলা চেষ্টা করে। সামনা সামনি আসেন কথা হবে। আমরা খারাপ কাজ করি না। ভালো কাজ করি।”

শেখেরটেক ৬ নম্বরে বহুতল ভবনে হামলার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ কেউ জড়িত না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রাথমিক তথ্য শুনেছি তারা ছিনতাইকারী ও ভাড়ায় কাজ করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অনেকে বলেছে যে তারা ছিলো। সিসিটিভি ফুটেজে তো সবার চেহারা আসে নাই।”

গ্রেপ্তারের ১৩ ঘন্টা পর রাতের অন্ধকারে গুলির বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, “আমার কাছে এই তথ্য নেই। আমাকে বলা হয়েছে অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে তাই আত্মরক্ষার্থে গুলি করেছে। এই বিষয়ে ডিসি বিস্তারিত বলতে পারবে।”

জানতে চাইলে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “এই ঘটনা আমার জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি। ঘটনার সময়ে রাজনৈতিক মিছিল ঠেকাতে ব্যস্ত ছিলাম।”

পুলিশের এমন অপেশাদার গুলির ঘটনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মানবাধিকার কর্মী আবু আহমেদ ছয়জুল কবির বলেন, “এমন ঘটনা ঘটে থাকলে এটা অগ্রহণ যোগ্য। পুলিশের নিয়মের ব্যত্যয় হয়েছে। পুলিশ নিজেই আইনের এমন ব্যত্যয় ঘটায় তাহলে উদ্বেগ উৎকন্ঠা বাড়ে। কোনো ঘটনা তৈরি করা হয় তাহলে একজন মানুষের মানবাধিক লঙ্ঘণ করা হয়। এই ধরনের ঘটনায় সতর্ক থাকা উচিৎ। সে যদি অপরাধী হয় তাহলে সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হউক।”

এর আগে তেজগাঁও বিভাগ থেকে জানানো হয়, রাজধানীর আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযানে পুলিশের শট গানে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আদাবর থানা-পুলিশ।

পুলিশের দাবি, অভিযানকালে আসামিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে দুই রাউন্ড শট গানের গুলি ছোড়ে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজার সংলগ্ন মেলার মাঠের পেছনে খালপাড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন, রাজিব হাওলাদার (৩০), সাগর ওরফে ছোট বিগার (২৪), শাকিব (২৩) ও রাশেদ (২৪)। তাদের মধ্যে রাজিব ও সাগরের পায়ে গুলি লাগে। আহত দুজনকে চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, মঙ্গলবার রাত ২টা ৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, মামলার কয়েকজন আসামি নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজারের পেছনে খালপাড় এলাকায় অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালালে ৭-৮ জনকে দেখতে পায় পুলিশ।

পুলিশের দাবি, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হলে কয়েকজন ধারালো চাপাতি নিয়ে পুলিশের দিকে এগিয়ে এসে হামলার চেষ্টা করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে সঙ্গে থাকা কনস্টেবল মোশরেকুল ইসলামের শটগান দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়।

অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে স্টিলের ধারালো চাপাতি, সামুরাই ও কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার সাগর ওরফে ছোট বিগারের বিরুদ্ধে আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় মোট আটটি মামলা রয়েছে। রাজিব হাওলাদার মোহাম্মদপুরের আলোচিত বাবু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি বলেও পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেপ্তার শাকিব ও রাশেদের বিরুদ্ধেও পাঁচটি করে মামলা রয়েছে।