রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজশাহী
04 Nov, 2026

ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে রাজশাহী চিড়িয়াখানা আধুনিকায়নের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১১:২০ অপরাহ্ন রাজশাহী
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১১:২০ অপরাহ্ন
ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে রাজশাহী চিড়িয়াখানা আধুনিকায়নের উদ্যোগ
ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে রাজশাহী চিড়িয়াখানা আধুনিকায়নের উদ্যোগ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে এটিকে আরও আকর্ষণীয়, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করে গড়ে তুলতে নতুন পশুপাখি সংযোজন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে চিড়িয়াখানাটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে তাঁরা রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করেন। এ সময় চিড়িয়াখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি নতুন পশুপাখি সংযোজন, বিদ্যমান অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চিড়িয়াখানাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

পরিদর্শন শেষে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরবাসী রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন।”

তিনি বলেন, “নগরবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় নতুন পশুপাখি সংযোজন এবং আধুনিকায়নের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কাছে উপস্থাপন করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শন করেছেন। আর শুক্রবার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসেছেন। আমরা আশা করছি, এর মাধ্যমে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে নতুন রূপে সাজানোর কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে।”

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান বলেন, “প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় পশুপাখি সংযোজন এবং আধুনিকায়নের বিষয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই প্রেক্ষিতে আমরা একটি টিম নিয়ে চিড়িয়াখানাটি পরিদর্শনে এসেছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের টিম ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে। স্টাডির ভিত্তিতে চিড়িয়াখানাটি কীভাবে সাজানো হলে আরও আকর্ষণীয়, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হবে। সারা বিশ্বে আধুনিক চিড়িয়াখানা যেভাবে পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা করা হয়, সেই আদলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা) ড. মো. বজলুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. সফিকুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের পরিচালক ড. আনন্দ কুমার অধিকারী, রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈনসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।