রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
আন্তর্জাতিক
03 Nov, 2026

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, মাত্রা ৬ দশমিক ৯

অনলাইন ডেস্ক : ১৬ আগস্ট ২০২৬ ১২:০২ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেস্ক : ১৬ আগস্ট ২০২৬ ১২:০২ অপরাহ্ন
১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, মাত্রা ৬ দশমিক ৯
ছবি সংগৃহীত

৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প এবং তার পর পর ৩৪১টি পরাঘাত বা ‘আফটার শক’-এর মাত্র ১২ ঘণ্টা পর ফের ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইন্দোনেশিয়ায়। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে হয়েছে এ ভূমিকম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি বা এপিসেন্টার ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের অন্যতম বৃহৎ শহর পেমাতাংসিয়ানতার থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে।

উত্তর সুমাত্রার ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য মেলেনি। তাছাড়া ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, শনিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পের উৎসস্থল বা এপিসেন্টর ছিল ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাগরের তলদেশে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। বড় ভূমিকম্পের পর ৩৪১টি পরাঘাত বা আফটার শকও হয়েছে। তবে সেসবের মাত্রা কম ছিল।

সাগরের তলদেশে এপিসেন্টার হওয়ায় ভূমিকম্পের পর পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছিল ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া দপ্তর; তবে সুনামির কেনো লক্ষণ না দেখা যাওয়ায় তিন ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করা হয়।

ব্যাপকমাত্রার এই ভূমিকম্পে পূর্ব ইন্দোনেশিয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৭ জন নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে, পুরোপুরি ধসে পড়েছে কমপক্ষে ৫৪টি ভবন এবং আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও কয়েক শ’ বাড়িঘর। সেই ধাক্কার রেশ না কাটতেই একই দিন সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা পর ফের ভূমিকম্প হলো ইন্দোনেশিয়ায়।

দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া আসলে ১ হাজার ৭০০ দ্বীপের সমষ্টি। ভৌগলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ বা রিং অব ফায়ার অঞ্চলের ওপর অবস্থানের কারণে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে ভূমিকম্প প্রায় নিয়মিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পটি হয়েছিল ২০০৪ সালে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার সেই ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের।

সূত্র : রয়টার্স