রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
জাতীয়
01 Nov, 2026

দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক : ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০২:০৪ অপরাহ্ন জাতীয়
অনলাইন ডেস্ক : ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০২:০৪ অপরাহ্ন
দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

দক্ষিণ সুদান ও আবেইয়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের কার্যক্রম ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান দক্ষিণ সুদানে মোতায়েনরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোম্পানি, পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফোর্স মেরিন ইউনিট, এবং আবেই-তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়ন পরিদর্শন করেন। উভয় মিশন এলাকায় সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। এ ছাড়া, তিনি ইউএনএমআইএসএস ও ইউএনআইএসএফএ মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি স্টাফ অফিসার, অবজারভার এবং কন্টিনজেন্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের কার্যক্রম ও মিশনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান ইউএনএমআইএসএস-এর ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল জুনহুই উ এবং ইউএনআইএসএফএ-এর ফোর্স কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল গণেশ কুমার শ্রেষ্ঠার সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ ছাড়া, তিনি আবেই-তে মিশন লিডারশিপ টিম এবং সুদান ও দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল মনিটরদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এসব সাক্ষাতে মিশনের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আভিযানিক চ্যালেঞ্জসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

আইএসপিআর আরও জানায়, পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনী প্রধান দক্ষিণ সুদানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী চোল থন বালোক এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান জেনারেল সান্তিনো ডেং ওয়োল এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় দক্ষিণ সুদান প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশ ও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে, এবং বাংলাদেশের জন্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।