রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
আন্তর্জাতিক
05 Nov, 2026

সিজেপির কর্মসূচি ভণ্ডুলের পরিকল্পনা সন্ত্রাসীর, প্রেমিকার ফোনে গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক : ০২ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৭ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেস্ক : ০২ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
সিজেপির কর্মসূচি ভণ্ডুলের পরিকল্পনা সন্ত্রাসীর, প্রেমিকার ফোনে গ্রেপ্তার
ছবি-সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কর্মসূচিতে অনুপ্রবেশের পরিকল্পনার অভিযোগে এক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। রোববার (০২ আগস্ট) দেশটির স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

এসটিএফ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া হামিম মণ্ডল নামের ওই সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্যবস্তু করার পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অনুপ্রবেশের পরিকল্পনা করেছিল। পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেইএম) সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এসটিএফের ইন্সপেক্টর জেনারেল গৌরব শর্মা বলেন, হামিম পাকিস্তানভিত্তিক গোষ্ঠীর পরিকল্পনা অনুযায়ী পুলিশের পোশাক পরে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিলেন। এ ছাড়া তাকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির ওপর নজর রাখার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী যেসব স্থানে তুলনামূলকভাবে অরক্ষিত থাকতে পারেন, সেসব স্থানের তথ্য সংগ্রহ করতে হামিমকে বলা হয়েছিল।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামিমকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় এসটিএফ পশ্চিমবঙ্গে জেইএমের বেশ কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে তার যোগাযোগের তথ্য পেয়েছে। আদালত তাকে ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

এদিকে হামিমের প্রেমিকা অর্পিতা সরকারকেও শুক্রবার ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা দুজন মিলে এক রাজ্যমন্ত্রী উমেশ রায়ের ছেলেকে হানি-ট্র্যাপে ফেলে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ষড়যন্ত্র করছিলেন।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, তারা শাহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তানি নিয়ন্ত্রকদের নির্দেশে কাজ করছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অর্পিতা তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রাজনীতিবিদসহ বেশ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিকে হানি-ট্র্যাপে জড়িয়েছিলেন এবং সেই তথ্য হামিমের কাছে পাঠাতেন। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মণ্ডল ও অর্পিতার প্রথম পরিচয় হয় ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে। তারা চার বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন। হানি-ট্র্যাপ মামলার তদন্তের সময় এসটিএফ প্রথমে অর্পিতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে। পরে সেই সূত্র ধরেই হামিম মণ্ডলের সন্ধান মেলে।

সূত্র: এনডিটিভি