আরএমপিকে ১৫৫টি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা দিলো রাসিক
রাজশাহী মহানগরীকে আরো নিরাপদ, অপরাধমুক্ত ও প্রযুক্তিনির্ভর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে (আরএমপি) ১৫৫টি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা হস্তান্তর করেছে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে আরএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের হাতে ক্যামেরাগুলো তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন বাস্তবায়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। নগরবাসীর নিরাপত্তা জোরদারে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা প্রদান করা হয়েছে। নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাজশাহী গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাব। ভবিষ্যতেও আরএমপিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।"
আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, রাসিকের দেওয়া এসব অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা প্রতিরোধমূলক (Preventive) ও অপরাধ উদ্ঘাটনমূলক (Detective) পুলিশিং কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, "নগরীর ১৫৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর হবে। এতে রাজশাহী আরো নিরাপদ ও যানজটমুক্ত মহানগরী হিসেবে গড়ে উঠবে। এ উদ্যোগের জন্য রাসিক প্রশাসকের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।"
অনুষ্ঠানে রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহমদ আল মঈন পরাগ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান সুইটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরএমপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (মতিহার) মাইনুল ইসলাম, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি) মো. আবুল কালাম শহীদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান।
উল্লেখ্য, রাজশাহী মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে এসব আধুনিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি জোরদার হওয়ার পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ আরো কার্যকর হবে।