রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজশাহী
31 Oct, 2026

রাজশাহীতে ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ভূমিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৮:০২ অপরাহ্ন রাজশাহী
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৫ জুলাই ২০২৬ ০৮:০২ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ভূমিমন্ত্রীর
রাজশাহীতে ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ভূমিমন্ত্রীর

 রাজশাহীতে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তুলতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটি আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেলে মহানগরীর বোয়ালিয়া ক্লাব সংলগ্ন নির্ধারিত স্থানে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভূমিমন্ত্রী, রাসিক প্রশাসক এবং অন্য অতিথিরা বৃক্ষরোপণ করেন।

রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় প্রায় ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৪১ টাকা ব্যয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। নির্মাণ শেষে ইনডোর স্টেডিয়ামটিতে বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন ইনডোর খেলাধুলার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, “আজ রাজশাহীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের একটি দিন। একটি সুন্দর এলাকায় আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজশাহী মহানগরীর যেসব সরকারি জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো দ্রুত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে রাজশাহীকে আরো সুন্দর, সুখী ও সমৃদ্ধ মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে কাজ করা হবে।”

রাসিক প্রশাসকের প্রশংসা করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কর্মকাণ্ড দেশের অন্যতম উন্নত পর্যায়ে রয়েছে। এ জন্য প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।”

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নগরীর অসমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।”

তিনি বলেন, “রাজশাহী মহানগরীর যেসব সরকারি জমি বর্তমানে দখল বা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো যদি সিটি কর্পোরেশনের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে সেখানে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এসব জমিতে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পার্ক, নারীদের জন্য ক্লাব, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসনসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।”

ক্রীড়া উন্নয়নের বিষয়ে রাসিক প্রশাসক জানান, মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ২৬টি স্থান খেলার মাঠ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৬টি স্থানকে খেলাধুলার উপযোগী মাঠ হিসেবে উন্নয়ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সবুর আলী, রাসিকের সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহমদ আল মঈন পরাগ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সাহেল মো. নূর-ই-সাঈদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান ইমন, নিলুফার ইয়াসমিন, এবিএম আসাদুজ্জামান সুইটসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।