রাজশাহীতে মেসি ভক্তদের বাধভাঙা উল্লাস
শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ফের একবার শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে জয় পেলো আর্জেন্টিনা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের টানা দুই বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার গৌরবকে প্রাণভরে উপভোগ করেছে রাজশাহীর আকাশী-সাদা ভক্তরাও। ক্ষ্যাপাটে, পাগলাটে কিংবা উন্মাদনার চূড়ান্ত রূপ। ৭ মিনিটেই চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায় ইংল্যান্ড। আর্জেন্টিনা ভক্তদের এই বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসের রেশ যেন কাটছেই না। হবেই না কেন, উৎকণ্ঠা, শঙ্কা পেরিয়ে আরও একবার অবিশ্বাস্য ভাবে যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লিওনেল মেসির দল।
বুধবার রাতে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ছেয়ে যায় আকাশী-সাদা রঙে। সেমিফাইনালের মহারণে যদিও প্রথমে পিছিয়ে গেলে ভয় ধরে আলবিসেলেস্তা শিবিরে। তবে ফের একবার শেষ সময়ের খেলায় ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বুক বাধে সমর্থকেরা। লিওনেল মেসি, এনজো ফার্নাদেজরা কি আর সেই মুখে হাসি না ফুটিয়ে পারে। লাউতারো মার্টিনেজের জয়সূচক গোলে ভেঙে যায় সব চাপা উত্তেজনা আর ভয়ের বাধ। উন্মাদনায় হেসে, খেলে, গেয়ে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ কাঁপিয়ে তুলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
সানজিদা জানান, ৮০ মিনিট লাস্ট যদি এক মিনিট থাকতো তাও আমাদের মধ্যে ভয় কাজ করতো না। কারণ আমরা জানি যে শেষের দিকে আমরা গোল দেবো। নির্ঘুম চোখে স্বপ্ন একটাই, মেসির আর্জেন্টিনা তুলবে টানা দুই বিশ্বকাপ। মেসি ভক্তদের আকাঙ্খা বুঝতে পারে। আর বিশেষ করে বাংলাদেশীদের জন্যও তার মন কাঁদে।
দর্শকরা আরো জানান, আশাবাদী, মোর দ্যান ১০০ পারসেন্ট, বাকিটাতো দেখা যাবে কী হয়। খুবই ভালো লেগেছে। সে ট্রাই করলো, লাস্টে তার গোলগুলো আটকে দেয়া হয়েছিল। তাই ফাইনালে পারবে।