রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজশাহী
31 Oct, 2026

বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে: ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৭:২৪ অপরাহ্ন রাজশাহী
নিজস্ব প্রতিবেদক : ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৭:২৪ অপরাহ্ন
বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে: ভূমিমন্ত্রী
বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে: ভূমিমন্ত্রী

 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের বৃত্তির জন্য নিজের প্রয়াত বাবা ফয়েজ রহমানের নামে এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো: মিজানুর রহমান মিনু। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে সিনেট ভবনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, “আমি আমার বাবা ফয়েজ রহমানের নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি চালুর জন্য এক সপ্তাহের মধ্যেই ১০ লাখ টাকা অনুদান দেব।”

তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ অবদান রাখা মরহুম মাদার বখ্শসহ যারা এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন চাহিদার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, উপাচার্য তার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেছেন। হল ও একাডেমিক ভবন নির্মাণসহ অবকাঠামোগত সংকট নিরসনের বিষয়টি তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবেন বলে জানান।

তিনি আরো বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আন্তরিক। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান হবে।”

ঐতিহাসিক বড়কুঠির প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী বলেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মস্থান বড়কুঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে বড়কুঠি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

তিনি আরো বলেন, “আর দুই বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানাব। আশা করি, তিনি এতে অংশ নেবেন।”

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।