প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে কক্সবাজারের চকরিয়ার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজশাহীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হাছান, সামাজিক বন বিভাগ বগুড়ার বন সংরক্ষক মুহাম্মদ সুবেদার ইসলাম এবং সামাজিক বন বিভাগ রাজশাহীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সুধীজন।
কর্মসূচির শুরুতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। রোপণ করা গাছের মধ্যে ছিল নিম, কদম, কাঠবাদাম, জাম, চালতা, আম, পেয়ারা, কাঁঠাল, জলপাই ও আমলকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। এসময় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন শিবলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, মহানগর কৃষক দলের সভাপতি শরফুজ্জামান শামীম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন, সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমনসহ স্থানীয় থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, সরকারের ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বনভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।