রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
আইন ও আদালত
07 Nov, 2026

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত রাজশাহীর ৭ বন্দীর সাজা মওকুফ

WP Import ০১ জুলাই ২০২৫ ১০:৪৭ অপরাহ্ন আইন ও আদালত
WP Import ০১ জুলাই ২০২৫ ১০:৪৭ অপরাহ্ন
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত রাজশাহীর ৭ বন্দীর সাজা মওকুফ
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত রাজশাহীর ৭ বন্দীর সাজা মওকুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা সাত বন্দীর সাজা মওকুফ করেছে সরকার। এরই প্রেক্ষিতে তারা সোমবার সন্ধ্যার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কারাবিধির ৫৬৯ ধারা মোতাবেক তাদের মুক্তি দেয় সরকার।

কারাগার সূত্র জানায়, সর্বনিম্ন ৯ মাস ১৬ দিন থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর ৮ মাস ১৪ দিনের সাজা মওকুফ পেয়েছেন ওই সাত ব্যক্তি। প্রত্যেকে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাগারে ছিলেন।

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- নওগাঁ সদরের ডাফাইল গ্রামের মোসলেম হোসেন, পত্নীতলা উপজেলার সম্ভুপুর গ্রামের বাসুদেব পাহান ও সাপাহার উপজেলার কৈবতপাড়া গ্রামের আবু তালেব, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বলিহার গ্রামের জামাত আলী, মোহনপুর উপজেলার চুলনিয়াপাড়া গ্রামের আক্তার হোসেন, পবা উপজেলার মাধবপুর গ্রামের আকবর আলী ও বগুড়ার শিবগঞ্জের সংসারদিঘী গ্রামের শহিদুল ইসলাম।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দী মুক্তি-সংক্রান্ত কমিটির সুপারিশক্রমে ১২৫ জন বন্দীর মুক্তির প্রস্তাব কারা অধিদফতরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। যাচাই-বাছাই করে সরকার প্রস্তাবিত ১২৫ জনের মধ্য থেকে ১৩ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীর জরিমানার টাকা পরিশোধের শর্তে সাজা মওকুফ করে মুক্তির নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান গণমাধ্যমকে জানান, সাজা মওকুফ হওয়া ১৩ বন্দীর মধ্যে এই প্রক্রিয়া চলমান অবস্থায় চারজনের সাজার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তারা আগেই মুক্তি পেয়েছেন। আর দুজন অন্য কারাগারে বদলি হয়ে গেছেন। তাদের মুক্তির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেই কারাগার থেকে তাদের মুক্তি হবে। অন্য সাত বন্দীকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এই সাতজনের সাজার মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে ছিল। আদালত থেকে তাদের কিছু জরিমানার আদেশ ছিল। সরকারি আদেশ আসার পরপরই তাদের জরিমানার টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর তাদের মুক্তির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

সাতজনের মধ্যে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি তার কোনো আত্মীয়স্বজনের মোবাইল ফোন নম্বর জানাতে পারেননি। এ জন্য তার পরিবারকে মুক্তির বিষয়টি জানানো সম্ভব হয়নি। তার বাড়ি নওগাঁয়। তাকে কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বাড়ি খুঁজে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।