শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
চট্টগ্রাম
16 Apr, 2026

হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গ্যাসের ৪ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, পাইপলাইনে ৪টি

WP Import ০৮ মার্চ ২০২৬ ১২:৩২ অপরাহ্ন চট্টগ্রাম
WP Import ০৮ মার্চ ২০২৬ ১২:৩২ অপরাহ্ন
হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গ্যাসের ৪ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, পাইপলাইনে ৪টি
হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে গ্যাসের ৪ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, পাইপলাইনে ৪টি

অনলাইন ডেস্ক : হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া গ্যাসের ৪টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর বাইরে আজ রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসবাহী এলপিজি সেভেন নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওমানের সোহার বন্দর থেকে জাহাজটি ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস নিয়ে আসছে। এছাড়া আরও ৩টি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে রয়েছে বলে জানায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী আল জোরা নামের জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। একই জায়গা আসা আল জাসাসিয়া জাহাজটি ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে পৌঁছে।

এছাড়া কাতারের রাস লাফান থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে আসা লুসাইল জাহাজটি সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। একই বন্দর থেকে রওনা হওয়া ৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই আল গালায়েল জাহাজ ১১ মার্চ এবং ৬২ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই লেব্রেথাহ জাহাজ ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা জি-ওয়াইএমএন নামের আরেকটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী বে-ইয়াসু জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সৈয়দ রেফায়েত হামিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মোট ৮টি জাহাজ আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। একটি আজকে এবং বাকি ৩টি পাইপলাইনে রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রণালি ব্যবহার করেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের বড় অংশের জ্বালানি পণ্য আমদানি করা হয়। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।