রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজশাহী
01 Nov, 2026

রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পিএসসিতে নিয়োগ, ভোট নিয়ে শঙ্কা

WP Import ২১ আগস্ট ২০২৫ ০৪:৫৩ অপরাহ্ন রাজশাহী
WP Import ২১ আগস্ট ২০২৫ ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পিএসসিতে নিয়োগ, ভোট নিয়ে শঙ্কা
রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পিএসসিতে নিয়োগ, ভোট নিয়ে শঙ্কা

রাবি প্রতিবেদক : ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। এ নির্বাচন ঘিরে রাবি ক্যাম্পাসে বইছে আনন্দের হওয়া। তফসিল অনুযায়ী- বুধবার (২০ আগস্ট) থেকে রাকসুর মনোনয়নপত্র বিতরণের কথা ছিল। তবে অনিবার্যকারণে তা স্থগিত করেছিল রাকসু নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছিল। তবে পুনরায় ২৪ আগস্ট থেকে বিতরণ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিরেছিল স্বস্তি।

তবে এর মধ্যে দেখা দিয়েছে আবার নতুন শঙ্কা। রাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এম আমজাদ হোসেনকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সদস্য পদে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সাংবিধানিক পদে নিয়োগের পর তিনি আর রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন কি না তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

এদিকে, তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচনের পথে অনেকদূর এগোনোর পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে পরিবর্তন এলে ঘোষিত ১৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।

বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট নয় খোদ অধ্যাপক আমজাদ হোসেনও। বুধবার রাতে তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জেনেছি নিয়োগের কথা। অবশ্য একদিন আগে আমাকে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ফোন করা হয়েছিল। এখন এ অবস্থায় করণীয় কী, তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।

তিনি আরও বলেন, রাকসু নির্বাচন অবশ্যই হবে। আমরা নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিবো। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক যোগ্য মানুষ আছেন যারা রাকসু বাস্তবায়নে ভুমিকা পালন করতে পারবে বলে জানান তিনি।

পিএসসির সদস্য নিয়োগের পর আগামী সপ্তাহে শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। সেক্ষেত্রে অধ্যাপক আমজাদ হোসেন আদৌও রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘উনি পিএসসির সদস্য পদে যোগদানের আগ পর্যন্ত রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকতে পারবেন। এতে কোনো বাধা নেই। এখন উনি কবে শপথ নেন, যোগদান করেন, সেটা জানার বিষয়। এ নিয়ে প্রশাসন দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবে।’

রাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এমন দুজন শিক্ষার্থী বলেন, বুধবার মনোনয়নপত্র বিক্রির কথা ছিল। সেটা অনিবার্যকারণে স্থগিতের পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল যে, এটির পেছনে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা কারণ নেই। শিক্ষার্থীরা আবার আশান্বিত হয়েছিল। কিন্তু এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার পিএসসিতে নিয়োগ পাওয়ায় নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হলো। আশা করি, প্রশাসন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৫ সেপ্টেম্বরই নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।