রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
আইন ও আদালত
31 Oct, 2026

হাসিনার মামলায় মামুনের জেরা শেষ, ফের সাক্ষ্যগ্রহণ ৮ সেপ্টেম্বর

WP Import ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৫:৫৮ অপরাহ্ন আইন ও আদালত
WP Import ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
হাসিনার মামলায় মামুনের জেরা শেষ, ফের সাক্ষ্যগ্রহণ ৮ সেপ্টেম্বর
হাসিনার মামলায় মামুনের জেরা শেষ, ফের সাক্ষ্যগ্রহণ ৮ সেপ্টেম্বর

অনলাইন ডেস্ক : জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি মামুনকে জেরা করেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। দুপুর সোয়া ১টার পর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আড়াইটা থেকে ফের জেরা শুরু হয়ে বিকেল প্রায় ৫টা পর্যন্ত চলে। পরে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে, ২ সেপ্টেম্বর রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন চৌধুরী মামুন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে আংশিক জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর স্টেট ডিফেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাকি জেরার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

জবানবন্দিতে আওয়ামী লীগ শাসনামলে পুলিশে রাজনৈতিক প্রভাব-গ্রুপিংয়ের কথা তুলে ধরেন রাজসাক্ষী মামুন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে জানিয়ে নিজের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

মামানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার এ মামলায় চৌধুরী মামুনসহ এখন পর্যন্ত ৩৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবন্দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন সাক্ষীরা।

গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।