বুধবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজশাহী
04 Sep, 2026

নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ রাবি বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতির বিরুদ্ধে

WP Import ১৭ আগস্ট ২০২৫ ১২:১৮ অপরাহ্ন রাজশাহী
WP Import ১৭ আগস্ট ২০২৫ ১২:১৮ অপরাহ্ন
নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ রাবি বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতির বিরুদ্ধে
নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ রাবি বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতির বিরুদ্ধে

রাবি প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারী শিক্ষার্থীকে নিজের ব্যক্তিগত কক্ষে ডেকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পরিসংখ্যান বিভাগের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।

গত ৪ আগস্ট অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের ব্যক্তিগত কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ১৩ আগস্ট বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা। এ ঘটনা তদন্তে বিভাগের শিক্ষকদের দ্বারা গঠিত একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কাজ করছে বলে বিভাগের সভাপতি জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন ড. প্রভাস কুমার কর্মকার। তিনি পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি এবং জনসংযোগ দপ্তরের সাবেক প্রশাসক। ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী একই বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানান, গত ৪ আগস্ট অধ্যাপক প্রভাস কুমার ভুক্তভোগী ছাত্রীকে তার চেম্বারে ডেকে শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে লাঞ্চিত করেন। মূলত, ক্লাস অ্যাটেনডেন্সের পারসেন্টেজ জানতে ওই শিক্ষার্থী অভিযুক্ত শিক্ষকের চেম্বারে যান। তখন শিক্ষক তাকে অন্য একদিন ফোন দিয়ে আসতে বলেন।

পরবর্তীতে সে শিক্ষকের কক্ষে গেলে শিক্ষক তাকে সাজেশনের কথা বলে পরীক্ষার প্রশ্ন দেন এবং ছবি তুলতে নিষেধ করেন। শুধু খাতায় লিখতে বলেন। এই সময় অভিযুক্ত শিক্ষক তার শরীরের একাধিক স্থানে অশোভন স্পর্শ করেন এবং কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দেন। এই ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ট্রমার মধ্যে পড়ে যান।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা জানান, তার সাথে খুবই মর্মান্তিক ও বিকৃত মস্তিষ্কের ঘটনা ঘটেছে। সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। তাকে সাইকোলজিস্ট দেখানো হয়েছে। মেয়ের এই অবস্থা দেখে তার পরিবারও ভেঙ্গে পড়েছে। আমরা এইরকম ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক প্রভাস কুমার কর্মকারকে মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিক সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করেন। পরবর্তীতে আর সাড়া দেননি।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কাজ করছে। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সব জানানো হবে।