রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬
আইন ও আদালত
16 Apr, 2026

১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার : সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ

WP Import ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৭ অপরাহ্ন আইন ও আদালত
WP Import ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৭ অপরাহ্ন
১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার : সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ
১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার : সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ

অনলাইন ডেস্ক : ঋণের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বিকেল পৌনে ৪টায় তাকে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে সংস্থাটির উপপরিচালক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ও সহকারী পরিচালক মো. আল আমিনের নেতৃত্বে একটি টিম।

গত ৮ জানুয়ারি ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সালমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ রিমান্ডের প্রথম দিন।

মামলায় সালমান এফ রহমানের ভাই এ এস এফ রহমান, ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান ও এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকেও আসামি হয়েছে।

এছাড়া বেক্সিমকোর পরিচালক ইকবাল আহমেদ, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক রীম এইচ শামসুদ্দোহা ও এমডি ওসমান কায়সার চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।

আর জনতা ব্যাংকের তৎকালীন সিইও আব্দুছ ছালাম, তৎকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক সহ-ব্যবস্থাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক এজিএম শাজাহান, সাবেক এজিএম মো. হুমায়ুনি কবীর ঢালী, সাবেক ম্যানেজার শ, ম মাহাতাব হোসেন ছাড়াও আসামি হয়েছেন কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের এমডি মো. মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানভীর এলাহী, ক্রিসেন্ট এক্সেসরিজ লিমিটেডের এমডি আবু নাঈম মাহমুদ ও পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে ইডিএফ সুবিধাসহ ঋণ সুবিধা মঞ্জুর ও প্রদান করে এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মালামাল আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে অ্যাকোমডেশন বিল তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডকে নবসৃষ্টি প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে অভিযোগে বলা হয় পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯,৪২০,৪৬৭,৪৬৮,৪৭১,৪৭৭ ৩,১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত আইন, ২০১৫) এর ৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।